Homeসংবাদ ও বিজ্ঞপ্তিক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য গঠিত কমিটি, নাকি পরিবারতন্ত্রের আরেকটি উদাহরণ?

ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য গঠিত কমিটি, নাকি পরিবারতন্ত্রের আরেকটি উদাহরণ?

বিসিবির নতুন কমিটি: পরিবারতন্ত্রের ছায়া, নাকি ক্রিকেটের নতুন দিক?
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নানা আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। নতুন কমিটিতে বেশ কয়েকজন পরিচিত রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এটি কি সত্যিই ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য গঠিত কমিটি, নাকি পরিবারতন্ত্রের আরেকটি উদাহরণ?
নতুন কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন তামিম ইকবাল, ইসরাফিল খসরু, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, রাশনা ইমাম এবং ফাহিম সিনহা। সমালোচকদের মতে, এদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের পরিবার থেকে আসায় ক্রিকেট প্রশাসনে যোগ্যতার চেয়ে পারিবারিক পরিচয় বেশি গুরুত্ব পেয়েছে কি না—সে প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সুশান্ত চন্দ্র বর্মন (শান্ত) এ প্রসঙ্গে বলেন, দেশের ক্রিকেট শুধুমাত্র একটি খেলা নয়, এটি কোটি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। তাই ক্রিকেট বোর্ডকে পরিবারতন্ত্র বা প্রভাবের জায়গা বানানো হলে তা দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য সুখকর হতে পারে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনে প্রয়োজন যোগ্যতা, দক্ষতা ও দূরদর্শী নেতৃত্ব। ক্রিকেট বোর্ড এমন একটি প্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত যেখানে সুযোগ পাবে প্রকৃত যোগ্য ও অভিজ্ঞ মানুষ, যারা দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চায় ক্রিকেট প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং পেশাদারিত্ব। যদি এসব নিশ্চিত না হয়, তাহলে দেশের ক্রিকেটের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে না।
একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ যদি ভবিষ্যতে সুযোগ দেয়, তাহলে দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজ করার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। আরো বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করতে হলে ঘরোয়া ক্রিকেটের উন্নয়ন, তরুণ খেলোয়াড়দের সুযোগ সৃষ্টি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সুশাসন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যদি সুযোগ দেয়, তাহলে আমরা দেশের ক্রিকেটকে একটি স্বচ্ছ, পেশাদার এবং উন্নয়নমুখী কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার জন্য কাজ করব। ক্রিকেটকে কোনো পরিবার বা গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে নয়, বরং পুরো দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
সবশেষে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সঠিক পরিকল্পনা, দক্ষ নেতৃত্ব এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর। সেই লক্ষ্যেই দেশের ক্রিকেটকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর প্রয়োজন রয়েছে।
🇧🇩 বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
সুুশান্ত চন্দ্র বর্মন (শান্ত)
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি(বিইপি)
নিবন্ধন নং ৬২, প্রতিকঃ দোয়াত কলম
মোবাইল নাম্বার ০১৭১৬৭০৫৯৬৮
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments